বাংলাদেশ ন্যূনতম মজুরি - RMG ৳১২,৫০০ — শ্রম আইন §১৩৯-১৪৯ (2026)

Last verified:

Source: Bangladesh Labour Act 2006, §§139–149; Minimum Wages Board gazette notifications

About this article

Commoner Law সম্পাদকীয় দল দ্বারা পর্যালোচিত। তথ্যসূত্র: bdlaws.minlaw.gov.bd-এ প্রকাশিত বাংলাদেশের আইন ও অধ্যাদেশ, সরকারি মন্ত্রণালয়ের সার্কুলার, ও সুপ্রিম কোর্টের রায়। সাধারণ বোঝাপড়ার জন্য সহজ ভাষায় লেখা — এটি শিক্ষামূলক কনটেন্ট, আইনি পরামর্শ নয়। Our editorial standards

বাংলাদেশ জাতীয় আইন

What is this right?

বাংলাদেশে কোনো একক জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নেই। বরং শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ১৩৯-১৪৯-এর অধীনে গঠিত ন্যূনতম মজুরি বোর্ড (Minimum Wages Board) খাত ধরে ধরে সর্বনিম্ন মজুরির সুপারিশ করে, এরপর সরকার সেটি সরকারি গেজেটে প্রকাশ করে। ভিন্ন শিল্প — ভিন্ন সংখ্যা।

এ পর্যন্ত বোর্ড প্রায় ৪২টি শিল্প খাতের জন্য গেজেট জারি করেছে — তৈরি পোশাক, চা, নির্মাণ, চিংড়ি প্রক্রিয়াকরণ, চামড়া, পাট, হোটেল-রেস্তোরাঁ, সড়ক পরিবহন, সিকিউরিটি সার্ভিস ও রি-রোলিং মিলস ইত্যাদি। সাম্প্রতিক বছরের সবচেয়ে আলোচিত পরিবর্তন নভেম্বর ২০২৩-এর RMG গেজেট, যেখানে সবচেয়ে নিচের গ্রেডের (গ্রেড ৫) মাসিক মোট মজুরি নির্ধারিত হয়েছে টাকা ১২,৫০০ — ২০১৮ সাল থেকে চালু থাকা টাকা ৮,০০০-র চেয়ে ৫৬% বৃদ্ধি।

  • প্রতিটি গেজেট মজুরিকে ভাগ করে — মূল মজুরি, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, যাতায়াত ও খাদ্য ভাতায়। ওভারটাইম শুধু মূল মজুরির ওপর হিসাব হয় — এই ছোট নিয়মটি শ্রমিকের প্রকৃত আয় চুপিসারে কমিয়ে দেয়।
  • যেসব খাতে গেজেট হয়নি (অধিকাংশ গৃহকর্ম ও অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রম) — সেখানকার শ্রমিকরা এই সুরক্ষার বাইরে।

যেখানে গেজেট আছে, সেখানে প্রকাশিত মজুরির নিচে দেওয়া বেআইনি — এবং এমন কোনো চুক্তি যতটুকু কম দেওয়ার চেষ্টা করে, ততটুকু বাতিল। গাজীপুরের একটি কারখানার গ্রেড-৫ শ্রমিককে গত মাসে টাকা ১১,২০০ দেওয়া হলে তিনি টাকা ১,৩০০ পাওনা — DIFE বা শ্রম আদালতে অর্থ দাবির মাধ্যমে আদায়যোগ্য।

When does it apply?

এই সুরক্ষা আওতাভুক্ত খাতের অধিকাংশ কর্মচারীর জন্য প্রযোজ্য। আপনি যোগ্য হবেন যদি:

  • আপনি ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের গেজেট-আওতাভুক্ত কোনো খাতের কর্মচারী
  • আপনি পূর্ণকালীন, খণ্ডকালীন, পিস-রেট বা চুক্তিভিত্তিক — যাই হোন, মজুরির সর্বনিম্ন অনুপাত ধরে প্রযোজ্য।
  • লিখিত চাকরির চুক্তি থাকুক বা না থাকুক — মজুরির সীমা প্রযোজ্য।

নিয়োগকর্তা গেজেটের নিচে মজুরি দিলে বাংলাদেশে কী করবেন

কারও কাছে যাওয়ার আগে কাগজপত্র গুছিয়ে নিন। মামলা গড়ে ওঠে নথির উপর।

  • আপনার খাতের গেজেট খুঁজে নিন — ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের ওয়েবসাইট (mwb.gov.bd) বা শ্রম মন্ত্রণালয়ের পোর্টালে। আপনার গ্রেড এবং মূল মজুরি, বাড়িভাড়া ও ভাতার ভাঙনি যাচাই করুন।
  • আপনার পে-স্লিপ মিলিয়ে দেখুন গেজেটের সঙ্গে। মূল মজুরিতে কম দিলে ওভারটাইম ও গ্র্যাচুইটিও কমে যায় — তাই ফাঁকটা ঠিকঠাক চিহ্নিত করুন।
  • লিখিতভাবে বিষয়টি তুলুন এইচআর বা কারখানার ম্যানেজারের কাছে। কপি রেখে দিন।
  • সমাধান না হলে DIFE-তে অভিযোগ করুন — জেলা অফিসগুলো সরাসরি অভিযোগ গ্রহণ করে; কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঢাকার ইস্কাটনে।
  • আপনি ১২ মাসের মধ্যে ধারা ১৩২ অনুযায়ী শ্রম আদালতে অর্থ দাবির মামলাও করতে পারেন।
  • RMG কারখানার ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী কমিটি বা RSC অভিযোগ চ্যানেলও ব্যবহার করা যায়।

What should you NOT do?

  • গেজেটের নিচে মজুরি নেওয়ার কোনো লিখিত চুক্তিতে রাজি হবেন না — আইনগতভাবে তা মূল্যহীন।
  • কম দেওয়ার নথি প্রস্তুত না করে চাকরি ছাড়বেন না। পে-স্লিপ, পরিচয়পত্র, হাজিরা রেজিস্টার — এসবই মামলা।
  • ১২ মাসের বেশি অপেক্ষা করবেন না। ধারা ১৩২-র অর্থ দাবিতে এক বছরের তামাদি, এবং শ্রম আদালত এ ব্যাপারে কঠোর।

Common Questions

বাংলাদেশে কি জাতীয় ন্যূনতম মজুরি আছে?

নেই। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ১৩৯-১৪৯ অনুযায়ী খাত ধরে ধরে মজুরি নির্ধারিত হয় — ন্যূনতম মজুরি বোর্ড প্রায় ৪২টি শিল্পের জন্য গেজেট জারি করেছে — RMG, চা, নির্মাণ, চিংড়ি প্রক্রিয়াকরণ ইত্যাদি। যেসব খাতে গেজেট নেই, সেখানে আইনগত কোনো সর্বনিম্ন সীমা নেই — অনেক গৃহকর্মী ও অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিক এ কারণে অরক্ষিত।

বাংলাদেশে বর্তমান RMG ন্যূনতম মজুরি কত?

গ্রেড ৫-এর (সর্বনিম্ন গ্রেড) জন্য মাসিক টাকা ১২,৫০০ — নভেম্বর ২০২৩-এর গেজেট অনুযায়ী, যা ২০১৮ সাল থেকে চলে আসা টাকা ৮,০০০-র চেয়ে ৫৬% বেশি। গেজেটে এই অঙ্ককে ভাগ করা হয় মূল মজুরি, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত ও খাদ্য ভাতায়। ওভারটাইম শুধু মূল মজুরির ওপর হিসাব হয় — তাই ঘোষিত সংখ্যা যা দেখায়, প্রকৃত আয় তার চেয়ে কম।

কম মজুরির অভিযোগ কোথায় করব?

আগে এইচআর-এর কাছে লিখিতভাবে। কাজ না হলে কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (DIFE) আপনার জেলার কার্যালয়ে নিয়ে যান, অথবা ১২ মাসের মধ্যে শ্রম আইনের ধারা ১৩২-র অধীনে শ্রম আদালতে অর্থ দাবির মামলা করুন। RMG কারখানার জন্য RSC অভিযোগ ব্যবস্থা তৃতীয় পথ — যা প্রায়ই আদালতের চেয়ে দ্রুততর।

What is the খাতভিত্তিক ন্যূনতম মজুরি right in বাংলাদেশ?

বাংলাদেশে কোনো একক জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নেই। বরং শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ১৩৯-১৪৯-এর অধীনে গঠিত ন্যূনতম মজুরি বোর্ড (Minimum Wages Board) খাত ধরে ধরে সর্বনিম্ন মজুরির সুপারিশ করে, এরপর সরকার সেটি সরকারি গেজেটে প্রকাশ করে। ভিন্ন শিল্প — ভিন্ন সংখ্যা।এ পর্যন্ত বোর্ড প্রায় ৪২টি শিল্প খাতের জন্য গেজেট জারি করেছে — তৈরি পোশাক, চা, নির্মাণ, চিংড়ি প্রক্রিয়াকরণ, চামড়া, পাট, হোটেল-রেস্তোরাঁ, সড়ক পরিবহন, সিকিউরিটি সার্ভিস ও রি-রোলিং মিলস ইত্যাদি। সাম্প্রতিক বছরের সবচেয়ে আলোচিত পরিবর্তন নভেম্বর ২০২৩-এর RMG গেজেট, যেখানে সবচেয়ে নিচের গ্রেডের (গ্রেড ৫) মাসিক মোট মজুরি নির্ধারিত হয়েছে টাকা ১২,৫০০ —...

When does it applyখাতভিত্তিক ন্যূনতম মজুরি?

এই সুরক্ষা আওতাভুক্ত খাতের অধিকাংশ কর্মচারীর জন্য প্রযোজ্য। আপনি যোগ্য হবেন যদি:আপনি ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের গেজেট-আওতাভুক্ত কোনো খাতের কর্মচারী।আপনি পূর্ণকালীন, খণ্ডকালীন, পিস-রেট বা চুক্তিভিত্তিক — যাই হোন, মজুরির সর্বনিম্ন অনুপাত ধরে প্রযোজ্য।লিখিত চাকরির চুক্তি থাকুক বা না থাকুক — মজুরির সীমা প্রযোজ্য।

আমার কারখানা গেজেটের নিচে মজুরি দিলে বাংলাদেশে আমি কী করব?

কারও কাছে যাওয়ার আগে কাগজপত্র গুছিয়ে নিন। মামলা গড়ে ওঠে নথির উপর।আপনার খাতের গেজেট খুঁজে নিন — ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের ওয়েবসাইট (mwb.gov.bd) বা শ্রম মন্ত্রণালয়ের পোর্টালে। আপনার গ্রেড এবং মূল মজুরি, বাড়িভাড়া ও ভাতার ভাঙনি যাচাই করুন।আপনার পে-স্লিপ মিলিয়ে দেখুন গেজেটের সঙ্গে। মূল মজুরিতে কম দিলে ওভারটাইম ও গ্র্যাচুইটিও কমে যায় — তাই ফাঁকটা ঠিকঠাক চিহ্নিত করুন।লিখিতভাবে বিষয়টি তুলুন এইচআর বা কারখানার ম্যানেজারের কাছে। কপি রেখে দিন।সমাধান না হলে DIFE-তে অভিযোগ করুন — জেলা অফিসগুলো সরাসরি অভিযোগ গ্রহণ করে; কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঢাকার ইস্কাটনে।আপনি ১২ মাসের মধ্যে ধারা ১৩২ অনুযায়ী শ্রম...

What should you NOT doখাতভিত্তিক ন্যূনতম মজুরি?

গেজেটের নিচে মজুরি নেওয়ার কোনো লিখিত চুক্তিতে রাজি হবেন না — আইনগতভাবে তা মূল্যহীন।কম দেওয়ার নথি প্রস্তুত না করে চাকরি ছাড়বেন না। পে-স্লিপ, পরিচয়পত্র, হাজিরা রেজিস্টার — এসবই মামলা।১২ মাসের বেশি অপেক্ষা করবেন না। ধারা ১৩২-র অর্থ দাবিতে এক বছরের তামাদি, এবং শ্রম আদালত এ ব্যাপারে কঠোর।

You came here to know your rights — help someone else know theirs.

Support This Mission