পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ (২০২৬ আইনি নির্দেশিকা) — নিয়ম ও প্রয়োজনীয়তা (2026)

Last verified:

Source: Inspector General of Police (IGP) Complaint Cell, Bangladesh Police; Police Bureau of Investigation (PBI); জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯; দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪; নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩; সংবিধান অনুচ্ছেদ ১০২; পুলিশ আইন ১৮৬১; পুলিশ প্রবিধান ১৯৪৩ (PRB)।

About this article

Commoner Law সম্পাদকীয় দল দ্বারা পর্যালোচিত। তথ্যসূত্র: bdlaws.minlaw.gov.bd-এ প্রকাশিত বাংলাদেশের আইন ও অধ্যাদেশ, সরকারি মন্ত্রণালয়ের সার্কুলার, ও সুপ্রিম কোর্টের রায়। সাধারণ বোঝাপড়ার জন্য সহজ ভাষায় লেখা — এটি শিক্ষামূলক কনটেন্ট, আইনি পরামর্শ নয়। Our editorial standards

বাংলাদেশ জাতীয় আইন

What is this right?

বাংলাদেশে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের চারটি সমান্তরাল চ্যানেল রয়েছে। ক্ষতির ধরন অনুযায়ী চয়ন করুন।

  • IGP Complaint Cell (Inspector General of Police-এর অভিযোগ সেল)। ২০১৭ সালের নভেম্বরে প্রতিষ্ঠিত পুলিশের অভ্যন্তরীণ চ্যানেল। ফোন / SMS: 0176969353501769693536। অভিযোগ পরীক্ষা করে IGP, তারপর Discipline and Professional Standard (DPS) Department-এ পাঠায়; DPS তদন্ত অফিসার / টিম নির্ধারণ করে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অপরাধী অফিসারকে সাজা।
  • Police Bureau of Investigation (PBI)। pbi.gov.bd। স্বাধীন তদন্ত ইউনিট, পুলিশের আভ্যন্তরীণ অংশ হলেও জটিল বা ফেরা-যাওয়া কেস হ্যান্ডেল করার জন্য আলাদা কাঠামো। আদালত বা সিনিয়র পুলিশ কমান্ডের রেফারেলে নির্দিষ্ট কেস নেয়।
  • National Human Rights Commission (NHRC)। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯-এর অধীনে কমিশন মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ গ্রহণ করে। তবে পুলিশ ও RAB "disciplined forces"-এর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় NHRC-র তদন্ত ক্ষমতা সীমিত — কমিশন তথ্য চাইতে পারে ও সুপারিশ দিতে পারে, কিন্তু সরাসরি অপরাধী অফিসারকে বিচার করতে পারে না।
  • Anti-Corruption Commission (ACC)। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪। ঘুষ, অপব্যবহার, অর্থনৈতিক অপরাধে জড়িত পুলিশ অফিসারদের জন্য — পৃথক তদন্ত ও মামলা ক্ষমতা।

হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু, বা গুরুতর আহত হলে IGP Cell, NHRC, ও Ombudsman-এর গতি অপ্রতুল — সরাসরি নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩-এর অধীনে দায়রা জজে অভিযোগ + হেবিয়াস কর্পাস রিট (সংবিধান অনুচ্ছেদ ১০২) + BLAST / ASK-এর সহায়তা একসঙ্গে। এই ক্যাটেগরিতে "হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু" পেজ আলাদাভাবে এই দিকটি কভার করে।

When does it apply?

  • অফিসার মামলা নিতে অস্বীকার করেছেন, ঘুষ চেয়েছেন, বা অনানুষ্ঠানিক জরিমানা ধার্য করেছেন।
  • আপনি পুলিশ কর্তৃক খারাপভাবে আচরিত, হয়রানি, বা অবৈধভাবে আটক হয়েছেন।
  • পুলিশ অফিসার আপনার মামলা-ফাইল বা ব্যক্তিগত তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে প্রকাশ করেছেন।
  • আপনার বৈধ অভিযোগে দীর্ঘ সময় পুলিশ ব্যবস্থা নেননি।
  • একজন অফিসার হেফাজতে আপনার অ্যাডভোকেট / পরিবারের প্রবেশ আটকেছেন।

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে চান — কী করবেন

  • আগে ফাইল তৈরি করুন। বিদ্যমান যেকোনো GD / FIR-এর কপি, SHO-কে লিখিত আবেদন, তারিখ ও সময় সহ মিথস্ক্রিয়ার বিবরণ, অফিসারের নাম ও BP নম্বর, মেডিকেল রিপোর্ট (আঘাত থাকলে)।
  • সাধারণ পেশাদারি অভিযোগের জন্য IGP Complaint Cell-এ অভিযোগ করুন। ফোন বা SMS: 01769693535 / 01769693536। সংযুক্ত প্রমাণ ও কালক্রম দিন।
  • স্বাধীন তদন্তের জন্য PBI-এ রেফারেন্স চাইতে পারেন। PBI সরাসরি অভিযোগ গ্রহণের চেয়ে আদালতের আদেশ বা সিনিয়র পুলিশ কমান্ডের রেফারেলে কেস নেয়। আপনার অ্যাডভোকেট সেই রেফারেল পেতে আবেদন করতে পারেন।
  • মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ NHRC-এ ফাইল করুন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯-এর অধীনে। NHRC তথ্য চাইতে পারে, সুপারিশ দিতে পারে — সরাসরি বিচার নয়, কিন্তু সরকারি দপ্তরে চাপ তৈরি করে।
  • দুর্নীতি / ঘুষ-সংক্রান্ত অভিযোগ ACC-এ ফাইল করুন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪। ACC পৃথক তদন্ত করে এবং মামলা দায়ের করতে পারে।
  • হেফাজতে নির্যাতন বা মৃত্যুর ক্ষেত্রে দায়রা জজে অভিযোগ করুন। নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩-এর অধীনে দায়রা জজ এই অপরাধ বিচার করেন; হেফাজতে মৃত্যুর শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + জরিমানা।
  • হেবিয়াস কর্পাস ও সাংবিধানিক প্রতিকারের জন্য হাইকোর্টে রিট ফাইল করুন। সংবিধান অনুচ্ছেদ ১০২। হাইকোর্ট এক দিনের মধ্যে শুনানিতে নিতে পারে; SHO ও DPO-কে নোটিশ যায়।
  • BLAST, ASK (Ain o Salish Kendra), Odhikar — সবার সাথে যোগাযোগ করুন। এই NGO-গুলো হেফাজতে নির্যাতন, পুলিশ অপব্যবহার ও মামলা প্রতিনিধিত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জাতীয় আইন সহায়তা সংস্থা (NLASO) অপ্রতুল ব্যক্তিদের জন্য বিনামূল্যে আইনি প্রতিনিধিত্ব দেয়।

What should you NOT do?

  • "অভ্যন্তরীণভাবে দেখা হবে"-কে একমাত্র উত্তর হিসেবে গ্রহণ করবেন না। IGP Complaint Cell, NHRC, ACC বা আদালতে লিখিত রেকর্ড ছাড়া অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা প্রায় অদৃশ্য।
  • চাপের মুখে অভিযোগ প্রত্যাহারের বিবৃতিতে সাক্ষর করবেন না। একবার সাক্ষর করলে কেস অনেক জটিল হয়ে যায়।
  • আপনি যে অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তাঁর সাথে একা থানায় যাবেন না। অ্যাডভোকেট বা সাক্ষী সঙ্গে নিন।
  • সামাজিক মাধ্যমকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের পরিবর্তে নির্ভর করবেন না। পাবলিক পোস্ট CSO 2025-এর পরিবর্তিত কাঠামোয়ও (যদিও মানহানি ধারা বাদ পড়েছে) পেনাল কোডের অধীনে মানহানি আকর্ষণ করতে পারে। আনুষ্ঠানিক চ্যানেল আগে।

Common Questions

কোন অভিযোগ চ্যানেল সবচেয়ে দ্রুত?

হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু, বা গুরুতর আহতের জন্য — হাইকোর্টে হেবিয়াস কর্পাস রিট (সংবিধান অনুচ্ছেদ ১০২) সবচেয়ে দ্রুত — অধিকাংশ হাইকোর্ট জরুরি দিনই গ্রহণ করেন। সাধারণ পেশাদারি অভিযোগের জন্য — IGP Complaint Cell ৩০–৬০ দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে। NHRC ও Ombudsman ধীরে চলে (সাধারণত ৬০+ দিন) কিন্তু অ-জরুরি maladministration-এর জন্য বেশি উপযুক্ত।

NHRC কী করে?

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯-এর অধীনে NHRC মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ গ্রহণ করতে পারে, তথ্য চাইতে পারে, এবং সুপারিশ জারি করতে পারে। তবে — পুলিশ ও RAB "disciplined forces"-এর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় NHRC-র সরাসরি তদন্ত ক্ষমতা সীমিত। NHRC সরাসরি অপরাধী অফিসারকে বিচার করতে পারে না — কিন্তু সুপারিশ গুরুত্বপূর্ণ চাপ তৈরি করে, বিশেষত যখন IGP Cell ও আদালতের সাথে সমান্তরালভাবে।

হেফাজতে নির্যাতনের জন্য আলাদা আইন আছে কি?

হ্যাঁ। নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ হেফাজতে নির্যাতনকে অপরাধ ঘোষণা করে। হেফাজতে মৃত্যুর শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা; অভিযোগ দায়ের হবে দায়রা জজের কাছে (সাধারণ থানা / পুলিশের কাছে নয়, কারণ পুলিশই অভিযুক্ত)। ASK ও BLAST এই আইনের অধীনে মামলা প্রতিনিধিত্ব করে।

আমি কি পুলিশকে ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করতে পারি?

হ্যাঁ, নীতিগতভাবে। সিভিল কোর্টে রাষ্ট্র ও পৃথক অফিসারের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মামলা সিভিল আইনের অধীনে উপলব্ধ। গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের অনুচ্ছেদ ১০২ রিট ক্ষতিপূরণ আদেশ দিতে পারে। ব্যবহারিকভাবে চ্যালেঞ্জ বেশি এবং সময়সীমা দীর্ঘ — সাধারণত ফৌজদারি ও পেশাদারি অভিযোগ চ্যানেলের পাশাপাশি সমান্তরাল প্রতিকার। BLAST, ASK, NLASO সহায়তা করতে পারে।

What is the পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ — igp complaint cell, nhrc, pbi, ombudsman right in বাংলাদেশ?

বাংলাদেশে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের চারটি সমান্তরাল চ্যানেল রয়েছে। ক্ষতির ধরন অনুযায়ী চয়ন করুন।IGP Complaint Cell (Inspector General of Police-এর অভিযোগ সেল)। ২০১৭ সালের নভেম্বরে প্রতিষ্ঠিত পুলিশের অভ্যন্তরীণ চ্যানেল। ফোন / SMS: 01769693535 ও 01769693536। অভিযোগ পরীক্ষা করে IGP, তারপর Discipline and Professional Standard (DPS) Department-এ পাঠায়; DPS তদন্ত অফিসার / টিম নির্ধারণ করে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অপরাধী অফিসারকে সাজা।Police Bureau of Investigation (PBI)। pbi.gov.bd। স্বাধীন তদন্ত ইউনিট, পুলিশের আভ্যন্তরীণ অংশ হলেও জটিল বা ফেরা-যাওয়া কেস হ্যান্ডেল করার জন্য আলাদা কাঠামো। আদালত বা সিন...

When does it applyপুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ — igp complaint cell, nhrc, pbi, ombudsman?

অফিসার মামলা নিতে অস্বীকার করেছেন, ঘুষ চেয়েছেন, বা অনানুষ্ঠানিক জরিমানা ধার্য করেছেন।আপনি পুলিশ কর্তৃক খারাপভাবে আচরিত, হয়রানি, বা অবৈধভাবে আটক হয়েছেন।পুলিশ অফিসার আপনার মামলা-ফাইল বা ব্যক্তিগত তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে প্রকাশ করেছেন।আপনার বৈধ অভিযোগে দীর্ঘ সময় পুলিশ ব্যবস্থা নেননি।একজন অফিসার হেফাজতে আপনার অ্যাডভোকেট / পরিবারের প্রবেশ আটকেছেন।

আমি বাংলাদেশে একজন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করব কীভাবে?

আগে ফাইল তৈরি করুন। বিদ্যমান যেকোনো GD / FIR-এর কপি, SHO-কে লিখিত আবেদন, তারিখ ও সময় সহ মিথস্ক্রিয়ার বিবরণ, অফিসারের নাম ও BP নম্বর, মেডিকেল রিপোর্ট (আঘাত থাকলে)।সাধারণ পেশাদারি অভিযোগের জন্য IGP Complaint Cell-এ অভিযোগ করুন। ফোন বা SMS: 01769693535 / 01769693536। সংযুক্ত প্রমাণ ও কালক্রম দিন।স্বাধীন তদন্তের জন্য PBI-এ রেফারেন্স চাইতে পারেন। PBI সরাসরি অভিযোগ গ্রহণের চেয়ে আদালতের আদেশ বা সিনিয়র পুলিশ কমান্ডের রেফারেলে কেস নেয়। আপনার অ্যাডভোকেট সেই রেফারেল পেতে আবেদন করতে পারেন।মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ NHRC-এ ফাইল করুন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯-এর অধীনে। NHRC তথ্য চাইতে পারে, সুপা...

What should you NOT doপুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ — igp complaint cell, nhrc, pbi, ombudsman?

"অভ্যন্তরীণভাবে দেখা হবে"-কে একমাত্র উত্তর হিসেবে গ্রহণ করবেন না। IGP Complaint Cell, NHRC, ACC বা আদালতে লিখিত রেকর্ড ছাড়া অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা প্রায় অদৃশ্য।চাপের মুখে অভিযোগ প্রত্যাহারের বিবৃতিতে সাক্ষর করবেন না। একবার সাক্ষর করলে কেস অনেক জটিল হয়ে যায়।আপনি যে অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তাঁর সাথে একা থানায় যাবেন না। অ্যাডভোকেট বা সাক্ষী সঙ্গে নিন।সামাজিক মাধ্যমকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের পরিবর্তে নির্ভর করবেন না। পাবলিক পোস্ট CSO 2025-এর পরিবর্তিত কাঠামোয়ও (যদিও মানহানি ধারা বাদ পড়েছে) পেনাল কোডের অধীনে মানহানি আকর্ষণ করতে পারে। আনুষ্ঠানিক চ্যানেল আগে।

You came here to know your rights — help someone else know theirs.

Support This Mission